ena
maisha
bioMed

কেমিক্যালযুক্ত আমের রসে পিচ্ছিল যাত্রাবাড়ী সড়ক

ঢাকা, ১৭ মে, এবিনিউজ : রাজধানীতে পাকা আম বাজারে উঠেছে আরো ২/৩ মাস আগেই। তখনো গাছে ঝুলছে কচি কচি আম। তবে বাজারে  তাহলে পাকা আম আসলো কোথা থেকে। তবে বর্তমান যুগে কাচা আমকে পাকা করতে সময় তো ৫ মিনিটের ব্যাপার। কিন্তু এই ব্যাপারে প্রশাসন যদি খবর রাখে তাহলে কাওরান বাজার ও আজ যাত্রবাড়ীর মতো হতেও পারে সমগ্র বাংলাদেশ। 

 

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে যাত্রাবাড়ী ফলের আড়তে যৌথভাবে অভিযানে নামে র‌্যাব ও বিএসটিআই’র ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় হাজার মণ আমের রসে পিচ্ছিল হয়ে যায় যাত্রাবাড়ীর সড়ক। পাকা আমের গন্ধ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

 

অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযানে ছয় প্রতিষ্ঠানের ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা করেন।  এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত খেজুরের দোকানে অভিযান চালিয়ে এক প্রতিষ্ঠান থেকে ৪০ মণ খেজুর জব্দ করেন। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলে।

 

ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযানে এক হাজার মণ আম ধ্বংস ও ৪০ মণ খেজুর জব্দ করা হয়েছে। অধিকাংশ আমই অপরিপক্ক। কিন্তু এসব আম ক্যালসিয়াম কারবাইড ও ইথানল দিয়ে পাকানো হয়েছিল। কেমিক্যাল দেয়ায় আমের উপরের অংশ পাকা দেখা যায়। অথচ ভেতরে কাঁচা।

 

তিনি বলেন, এসব আম খেলে ডাইরিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের দীর্ঘ মেয়াদী অসুখের সম্ভাবনা রয়েছে। অভিযানে দোষ স্বীকারের ভিত্তিতে আশা বাণিজ্যালয়ের লুৎফর রহমান ও জাকির হোসেনকে এক বছর, মোস্তফা এন্টারপ্রাইজের মোস্তফা শেখকে ছয় মাস, সাতক্ষীরা বাণিজ্যালয়ের মো. ইয়াসিনকে ছয় মাস, এস আলম বাণিজ্যালয়ের মিঠুন সাহাকে দুই মাস, আতিউর ট্রেডার্সের রঞ্জিত রাজবংশীকে তিন মাস, বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের মো. শাহিদুল এবং নামহীন দুটি প্রতিষ্ঠানের মেহেদী হাসান ও রেজাউল নামে দুই জনকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন আদালত।


এবিএন/মমিন/জসিম