ena
maisha
bioMed

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ও বিপন্ন গণতন্ত্র

সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত, ১৬ মে, এবিনিউজ : ভারতের অঙ্গরাজ্য বিহারের সাবেক মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মাখন মজুমদার বলেছেন, আরেকটি অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র বিপন্ন। ভারতের লোকসভার সাবেক স্পিকার তথা বিশিষ্ট বর্ষীয়ান বাম নেতা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শাসকের হাতে বিপন্ন গণতন্ত্রের সব কয়টি প্রতিষ্ঠান। এগুলোকে বাঁচাতে হবে যেকোনো মূল্যে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি অশোক গাঙ্গুলি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অহংকারের ফলেই সংবিধানকে ধ্বংস করা হচ্ছে। কিন্তু সবাই কেন একই সঙ্গে একসময় একই কথা বলছেন। তার অনেক কারণের মধ্যে একটি হলো সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচন। নির্বাচন নিয়ে তৈরি হয়েছিল অচলাবস্থা। তারপর যে নির্বাচন হলো, তা কি নির্বাচন নাকি রক্তস্নান। ১৬ জনের প্রাণ গেল, আহত হলো আরো অনেক মানুষ। কেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ছাপ্পা ভোট—কি না ঘটেছে এ দিন!

পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের জবর ধাক্কা খেল ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। এক সুদূরপ্রসারী ঐতিহাসিক রায়ে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিলেন, অনলাইন বা ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে সিপিআইয়ের (এম) জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রগুলোর মধ্যে যেগুলো বৈধ, সেগুলোকে গ্রহণ করতে হবে। আদালতের বক্তব্য, এভাবে মনোনয়নপত্র জমার সুযোগ পেলে রাজ্যজুড়ে ঘটে চলা হিংসা ও অশান্তি অনেকটাই কমবে।

ডিভিশন বেঞ্চ তাঁদের রায়ে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ২৩ এপ্রিল বিকেল ৩টার মধ্যে সিপিআইয়ের (এম) যেসব প্রার্থী ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে বৈধ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, সেগুলোকে গ্রহণ করতে হবে। তাঁরা ওই প্রার্থীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে কমিশনকে নতুন তালিকা প্রকাশ করারও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি সমাদ্দার রায় দিতে গিয়ে চোখা মন্তব্যে কমিশনকে বিঁধে বলেছেন, ‘ই-মেইলে যে মনোনয়নপত্রগুলো জমা পড়েছিল, সেগুলো খতিয়ে দেখার ব্যাপারে কমিশন অনীহা দেখিয়েছে।’ হাইকোর্ট আরো বলেছেন, ‘এভাবে মনোনয়নপত্র পেশের ব্যবস্থা থাকলে বহু প্রাণহানি আটকানো সম্ভব হবে।’ বস্তুত আদালতের এই মামলাটিই ভবিষ্যতে নির্বাচনীব্যবস্থার বিপুল সংস্কারের দরজা খুলে দিয়েছে বলে ওয়াকিফহাল মহলের মত। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসকেও তীব্র ভর্ত্সনা করে আজ বিচারপতিরা বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার অমরেন্দ্র কুমার সিংকে বাড়ি গিয়ে বা টেলিফোনে রাজ্যের মন্ত্রী-সংসদ সদস্যরা যেভাবে নাগাড়ে হুমকি দিয়ে গেছেন, সেদিকে নজর রেখেই বেঞ্চের এই মন্তব্য বলে ওয়াকিফহাল মনে করছে। আদালত এদিন আরো বলেছেন, ‘প্রার্থীর সংখ্যা বাড়লে ভোটারদের পছন্দের সুযোগও অনেকটাই বাড়বে।’ এদিনও শুনানি চলাকালীন বিচারপতি সমাদ্দার কমিশনের আইনজীবীকে তীব্র তিরস্কার করে বলেন, ‘অনলাইনের তথ্য হাইকোর্টে জমা দিতে কমিশনের এত অনাগ্রহ কেন?’

রায় শুনে সিপিআই (এম) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রবীন দেব বলেন, এই রায় আসলে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জয়। তিনি বলেন, ‘ইনফরমেশন টেকনোলজির আইনে আমরা আবেদন করি। আমাদের বক্তব্য ছিল, ই-মেইলে পেশ করা আমাদের মনোনয়নগুলো গ্রাহ্য করতে হবে। মাননীয় আদালত আমাদের সেই আবেদনকে মান্যতা দিয়েছেন।’

এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি অশোক গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, এই রায় সাংবিধানিক মূল্যবোধকে রক্ষা করেছে।

বস্তুত আজ ঠিক এ ধরনের যুক্তিবিন্যাসেই বাজিমাত করেছিলেন সিপিআইয়ের (এম) আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য। তিনি তাঁর সওয়ালে সুনির্দিষ্টভাবে বলেছিলেন, হাইকোর্টেরই সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ভাঙড়ের ৯ জন নির্দল প্রার্থীর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। সেই মতো কমিশনকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন। তাহলে মনোনয়ন জমা দিতে ব্যর্থ হওয়া যেসব সিপিআই (এম) প্রার্থী ই-মেইলে মনোনয়ন পাঠালেন, সেটা গণ্য হবে না কেন?

এই মামলার প্রসঙ্গে কৃতিত্বের বেশির ভাগটা অবশ্যই দাবি করতে পারেন ভাঙড়ের নির্দল প্রার্থীরা। তাঁরা প্রথমে ভাঙড়-২ নম্বরের বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে ব্যর্থ হন। আরাবুল বাহিনীর হাতে তাঁদের রক্তাক্ত হতে হয়। পুলিশ কুশল দেবনাথ, অমিতাভ ভট্টাচার্য প্রমুখ ভাঙড় সংহতি সমিতির নেতাদের বন্দি করে নিয়ে যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে ইউপিএ প্রয়োগ করা হয়। এরই মধ্যে ভাঙড়ের ওই প্রার্থীরা হাইকোর্টে বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের এজলাসে নমিনেশন জমা দেওয়ার অধিকার চেয়ে মামলা করেন। বিচারপতি তালুকদার সুস্পষ্ট রায় দিয়ে বলেন, যথেষ্ট পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে ওই ইচ্ছুক প্রার্থীদের আলিপুরে ডিএমের অফিসে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে দিতে হবে। সেই মতো ওই প্রার্থীরা ফের আলিপুরে মনোনয়ন জমা দিতে যান। কিন্তু এবারেও তাঁরা ব্যর্থ হন। আলিপুর চত্বরে তাঁদের মারধর করে মনোনয়ন কেড়ে নেওয়া হয়। প্রহূত হন নকশালনেত্রী শর্মিষ্ঠা চৌধুরী। এর পরই নির্দল ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মনোনয়ন বিডিওর কাছে পাঠিয়ে দেন। এবং সেগুলো গ্রহণ করাও হয়। কিন্তু কমিশন তা মানতে চায়নি। ফের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার তীব্র ভর্ত্সনা করে ঘোষণা করেন, অনলাইনের মাধ্যমে জমা দেওয়া ওই মনোনয়নগুলো গ্রহণ করতে হবে।

ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মামলায় লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের ব্যাপারে শুনানিতে অপদার্থ নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে আদালত বলেন, ‘এখনো তো আপনাদের ঘুম ভাঙেনি? আর কবে ভাঙবে?’ শুধু এটুকুতেই থেমে না থেকে বিচারপতিরা বলেন, ‘ভোট করানোর জন্য আপনাদের হাতে অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও আপনারা দায়িত্ব পালনে এত উদাসীন কেন?’ বিচারপতিদের এই মন্তব্যের মুখে নির্বাচন কমিশনের কৌঁসুলি কার্যত হতভম্ভ হয়ে পড়েন। ওয়াকিফহাল মহলের বক্তব্য, শুনানির শুরুতে যেভাবে বিচারপতিরা তোপ দেগেছেন তাতে কমিশনের আর নিজ পদে বসে থাকার কোনোই যুক্তি নেই। বিন্দুমাত্র মনুষ্যত্ব অবশিষ্ট থাকলে এই মুহূর্তে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার অমরেন্দ্র কুমার সিংয়ের পদত্যাগ করা উচিত।

গত সপ্তাহে কংগ্রেসের করা একটি মামলার শুনানিতে বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দার ও বিচারপতি অরিন্দম মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ যেসব চোখা চোখা মন্তব্যে কমিশনারকে ভূষিত করেছেন তা নজিরবিহীন। আদালত কার্যত কমিশনকে ঢোঁড়া সাপ সাব্যস্ত করেছেন। সেদিন আদালত চোখা চোখা বাক্যবাণ প্রয়োগ করে বলেছেন—১) নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় মানুষের ভ্রু কুঁচকেছে। ২) নিরপেক্ষভাবে কমিশন কাজ করবে সেটাই তো প্রত্যাশিত। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। ৩) রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নাতীত নয়। ৪) কমিশন সিঙ্গেল বেঞ্চের ২০ এপ্রিলের রায় যথাযথভাবে মানেনি। ৫) কমিশন নিজেই আইনি জটিলতা তৈরি করেছে। ৬) তিন থেকে এক দফায় ভোট নিয়ে আসাটা এড়ানো যেত। এতে কমিশনের ভূমিকার দিকে আঙুল উঠেছে। ৭) পঞ্চায়েত ভোট নির্দিষ্ট সময়ে হওয়া উচিত। কিন্তু তার মানে এই নয় যে কমিশন একতরফাভাবে কাজ করবে। আদালত শুক্রবারের চোখা মন্তব্যকে কমিশনের কাছে ‘ওয়েক আপ কল’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

গত সপ্তাহে রায় দেওয়ার সময় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার বারবার করে বলেছিলেন, ইচ্ছুক প্রার্থীরা যাতে মনোনয়ন দিতে পারেন তার জন্য বাড়তি দিনের ব্যবস্থা করতে হবে কমিশনকে। সেই মতো কমিশন সোমবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করলেও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের গুণ্ডাবাহিনীর উত্তাল সন্ত্রাসের জেরে কোথাও বিরোধীরা স্বস্তি পাননি। আদালতের সব নির্দেশকে থোড়াই কেয়ার করে তৃণমূলি ভৈরব বাহিনী ফের বিরোধীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলায় নতুন করে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে রক্তাক্ত হয়েছেন বিরোধী প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকরা। পরিস্থিতি দেখে বোঝা গেছে, আদালতের নির্দেশ এড়ানো যায়নি বটে; কিন্তু কাউকে যে মনোনয়ন দিতে দেওয়া হবে না তা আগে থেকেই স্থির করা হয়েছিল। সবচেয়ে বেশি রক্তাক্ত হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলের বীরভূম জেলা। সিউড়িতে বিজেপির মিছিলে তৃণমূল কংগ্রেসের সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীরা গুলি চালায়। কার্যত পুলিশের সামনেই সেই ঘটনা ঘটে। মিছিলের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন এক বিজেপিকর্মী শেখ দিলদার। পুলিশ সেই মৃতদেহ তুলে সিউড়ি সদর হাসপাতলে জমা করে দেয়। বিভিন্ন জায়গায় বিডিও অফিসের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি করা থাকলেও নির্বিচারে শাসকদলের বাইকবাহিনী সশস্ত্র অবস্থায় ঘুরে বেড়িয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকরা খবরের প্রয়োজনে বাইক নিয়ে যেতে চাইলেও তাঁদের পুলিশ আটকিয়েছে। এই খবর লেখা পর্যন্ত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবর এসেছে বীরভূমের সিউড়ি, মুরারই, দুবরাজপুর, রামপুরহাট, মাড়গ্রাম, বুধিগ্রাম, ত্রিফলা মোড়, সিউড়ি এক নম্বর ব্লক, পশ্চিম মেদিনীপুরের লাউদোহা, মালদহের সামশেরগঞ্জ, বর্ধমানের কাটোয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ডায়মন্ডহারবার, মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থানা এলাকা, পূর্ব বর্ধমানের দাইহাট, গুগলির চণ্ডীতলাসহ একাধিক জায়গা থেকে।

শুধু যে তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক কর্মী বা প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন তা-ই নয়, বহু প্রথিতযশা নেতাকেও তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনী মারধর করেছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের লাউদোহায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বাবুল সুপ্রিয় ইচ্ছুক প্রার্থীদের নিয়ে বিডিও অফিসে ঢুকতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। পুলিশ বিজেপি সমর্থকদের দিকে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, তাঁকে পুলিশ বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়েই হেনস্তা করেছে। মালদহে কংগ্রেস সামশেরগঞ্জে প্রার্থীদের নিয়ে যাচ্ছিলেন স্থানীয় কংগ্রেস সংসদ সদস্য আবু হাসেম খান চৌধুরী। তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতকারীরা তাঁর গাড়িতেও আক্রমণ চালায়। তিনি অবশ্য আক্রমণ সত্ত্বেও প্রার্থীদের নিয়ে এগিয়ে যান। প্রদেশ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য ডায়মন্ডহারবার ও কাটোয়ায় কংগ্রেস প্রার্থীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যান। তাঁকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে প্রদীপবাবু অভিযোগ করেন, কাটোয়ায় কংগ্রেস কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামলা করেছে। ডায়মন্ডহারবারে পুলিশ ও র‌্যাফ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে মিলে হামলা চালিয়েছে। তবু নির্বাচন কমিশন আমাকে দেখা করতে দিল না? এটা কি গণতন্ত্র? রাজ্যে চরম স্বৈরশাসন চলছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশন শাসকদলের হাতে পুতুল হয়ে গেছে। তিনি আদালতের নির্দেশকেও পাত্তা দিচ্ছেন না। তাঁর মন্তব্য, ‘আমি যখন ঢুকতে যাই তখন পুলিশ এসে বলল, কমিশনার আপনার সঙ্গে দেখা করবেন না।’

এভাবে সন্ত্রাস, সংঘাত, প্রশাসন দলীয়করণের পর নির্বাচন কমিশনও যদি ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে যায়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?  (কালের কণ্ঠ)

 লেখক : পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ সাংবাদিক