ena
maisha
bioMed
ব্রেকিং নিউজ

সুভাষ সিংহ রায়ের ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

ঢাকা, ০৭ মে, এবিনিউজ : ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বিদেশ থাকার কারণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে ১৯৮১ সালের ৭ মে তিনি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। দেশে আসার পর প্রতিকূল অবস্থার মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিক সংগ্রাম চালিয়ে যান। তার সেই সময়কার জীবন সংগ্রাম নিয়ে এবার বই লিখেছেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক, জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ও সাপ্তাহিক বাংলা বিচিত্রার সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়।



আজ সোমবার রাজধানীর পাঠক সমাবেশ কেন্দ্রে ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ বইটির মোড়ক উন্মোচন হয়। অনুষ্ঠাণে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।

অনুষ্ঠাণে এইচ টি ইমাম বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে না এলে স্বাধীনতা বিরোধীরা এতদিনে বাংলাদেশকে জঙ্গিরাষ্ট্র বানিয়ে ছাড়তো।

আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুধু তার প্রত্যাবর্তন ছিল না, সেটি ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন। ১৯৮১ সালের ১৭ মে যখন তিনি প্রথম দেশে প্রত্যাবর্তন করেন তখন দেশ ছিল মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের হাতে। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিরা তখন কোণঠাসা ছিল। তিনি এসে তাদের একত্রিক করে সংগঠিত করেন। এর ২০০৭ সালের ৭ই মে দ্বিতীয়বার দেশে প্রত্যাবর্তন করে গণতন্ত্রকে বন্দীদশা থেকে মুক্তি দেন তিনি।’



জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে দেশ যেমন স্বাধীন হতো না, তেমনি শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন না হলে আজকের বাংলাদেশ আমরা দেখতে পেতাম না। বাংলাদেশ হতো পাকিস্তানের মতো জঙ্গিরাষ্ট্র।

মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- আ.লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব আতিকুর রহমান, ইতিহাসবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, আ.লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ড. ফরহাদ আলী খান। অনুষ্ঠানে বইয়ের বিষয়বস্তু তুলে ধরেন বইটির লেখক সুভাষ সিংহ রায়।

এবিএন/জনি/জসিম/জেডি